ex girlfriend যখন মন্ত্রী পর্ব ৪:
  • admin
  • Category: Romantic
  • 5 months ago



  • গল্প::: ex girlfriend যখন মন্ত্রী
    *
    *কালেক্টর-পিচ্চি রাজা
    * লেখক:::: রাসেল চৌধুরী
    *
    *
    * পর্ব/; (৪) চার
    *
    *


    * ঠাসসসসস করে বুকের উপর থেকে পেলে দিলাম। সাদিয়া মাজায় হাত দিয়ে বসে রইল। চোখে পানি চলে এসেছে। অবাক চোখে আমার দিকে তাকিয়ে আছে।
    *
    * আমি/: তোর সাহস কি করে হয় আমার বুকের উপর শুয়ে থাকার।
    *
    * সাদিয়া/: আমি তোমাকে ভালোবাসি, তাই তো তোমার বুকে শুয়ে ছিলাম।
    *
    * আমি/: কিন্তু আমি তো তোকে ভালবাসি না।
    *
    * সাদিয়া/: আমাকে কি আরেকটি বার সুযোগ দেওয়া যায় না।
    *
    * আমি/: না , যায় না। যে মেয়ে টাকার জন্য আমাকে ছেড়ে চলে গেছে। তাকে আর ভালোবাসা যায় না।
    *
    * সাদিয়া/: আমি তো বলছি আমি ভুল করেছি। আমি আর তোমাকে ছেড়ে কখনো যাবো না।
    *
    * আমি/: আমি তোর কোনো কথা শুনতে চাই না। তুই এখন আমার রুম থেকে বেরিয়ে যা।
    *
    * সাদিয়া চোখের পানি মুছতে মুছতে রুম থেকে বেরিয়ে গেল। এখন আজকে ভালোবাসা দেখাতে। ছেড়ে যাওয়ার সময় মনে ছিলনা।
    *
    * আমি আর বসে না থেকে ওয়াস রুমে ঢুকে ফ্রেশ হয়ে নিচে চলে আসলাম। দেখি সাদিয়া সবাইকে নাস্তা দিচ্ছে। আমি একটা চেয়ার টেনে বসলাম।
    *
    * আম্মু/: সাদিয়া মা রাসেল কে নাস্তা দাও।
    *
    * আমি/: আম্মু বাসায় কি কাজের লোকের অভাব পড়ছে। তুমি আমাকে নাস্তা দাও। অন্য কেউ দিলে আমি খাবো না।
    *
    * আব্বু/: মেয়েটা আজকে নিজের হাতে নাস্তা বানিয়েছে। খেয়ে দেখ কেমন হয়েছে।
    *
    * আমি/: আমি তো জানি মন্ত্রী রা দেশের জন্য কাজ করতে করতে খাওয়ার সময় পায় না। তারা নাস্তা বানানো শিখেছে কোথায় থেকে।
    *
    * আম্মু/: কেন দেশের জন্য কাজ করলে কি নাস্তা বানাতে পারে না।
    *
    * আমি/: আমি অফিসে গেলাম। ( উঠে দাঁড়িয়ে)
    *
    " আব্বু/: নাস্তা করবি না।
    *
    * আমি/: হাতে সময় নেই। বাহিরে করে নিব। ( বলে বাসার বাহিরে চলে আসলাম)
    *
    * আম্মু/: ছেলেটার কখন যে কি করে বুঝি না।
    *
    * সাদিয়া/: আন্টি আমি বাসায় যাচ্ছি।
    *
    * আম্মু/: কেন মা , তুমি তো নাস্তা করো নাই।
    *
    * সাদিয়া/: না আন্টি , পরে একদিন করবো। আজকে একটা সপিং মল উদ্বোধন করতে হবে। আমাকে তাড়াতাড়ি যেতে হবে।
    *
    * আম্মু/: ঠিক আছে মা , আবার আসবে কিন্তু।
    *
    * সাদিয়া/: ওকে আন্টি।
    *
    * বলে সাদিয়া বেরিয়ে গেল।
    আর এদিকে আমি একটা রেস্টুরেন্টে ঢুকে নাস্তা করে অফিসে চলে গেলাম। সবাই আমাকে দেখে দাঁড়িয়ে সালাম দিল। আমি তাদের বসতে বলে নিজের কেবিনে চলে আসলাম।
    *
    * টেবিলে দেখি দুইটা ফাইল। বসে ফাইল গুলো দেখতে লাগলাম।
    *
    * এভাবে দেখতে দেখতে আরো ১৫ দিন চলে গেল। এই পনের দিনে সাদিয়া অনেক বার আমার কাছে এসে ক্ষমা চেয়েছে। কিন্তু আমি তাকে পাত্তা দেই না।
    *
    * সকালে টেবিলে বসে নাস্তা করছিলাম। হঠাৎ আম্মু বললো।
    *
    * আম্মু/: তোকে একটা কথা বলবো রাখবি।
    *
    * আমি/: রাখার মতো হলে অবশ্যই রাখবো।
    *
    * আম্মু/: আমি বলছিলাম কি তুই এবার একটা বিয়ে কর।
    *
    * আমি/: তোমার কথা শেষ হয়েছে।
    *
    * আম্মু/: আমরা আর বাঁচবো কয় দিন। মরার আগে তোর ছেলে মেয়ের মুখ দেখে যেতে চাই।
    *
    * আমি/: আচ্ছা ঠিক আছে। তোমরা মেয়ে দেখো।
    *
    * আম্মু/: মেয়ে দেখতে হবে না। মেয়ে আমাদের পছন্দ আছে।
    *
    * আমি/: তা মেয়েটা কে।
    *
    * আম্মু/: কেন সাদিয়া। মেয়েটা অনেক সুন্দর ভদ্র আমাদের অনেক খেয়াল রাখে। তুই না করিস না বাবা।
    *
    * আমি/: আমি এ মেয়েকে বিয়ে করতে পারবো না। তোমরা অন্য মেয়ে দেখো। তার পর আমি বিয়ে করবো। কিন্তু এ মেয়েকে আমি ভুলেও বিয়ে করবো না।
    *
    * আব্বু/: আচ্ছা আমি বুঝি না। তুই সাদিয়া কে দেখতে পারিস না কেন।
    *
    * আমি/: সেটা তোমাদের না জানলেও চলবে।
    *
    * আমি আর কোনো কথা না বলে অফিসের উদ্দেশ্যে রওনা দিলাম। হঠাৎ দেখি সাদিয়া রাস্তার পাশে একটা বুড়ো চাচাকে গাড়িতে উঠালো। তার পর তাকে নিয়ে যেতে লাগলো।
    *
    * আমি তার গাড়ির পিছনে পিছনে যেতে লাগলাম। দেখি সাদিয়া একটা হাসপাতালের সামনে গাড়ি থামালো। একজন মন্ত্রীর এধরনের কাজ দেখে সব মিডিয়া চলে এসেছে।
    *
    * সাদিয়া মিডিয়ার সামনে কোনো কথা না বলে চাচাকে ভিতরে নিয়ে গেল। আমি গাড়িতে বসে না থেকে হাসপাতালের ভিতরে গেলাম। গিয়ে দেখি চাচাকে কেবিনের ভিতর নিয়ে গেল। সাদিয়া আমাকে দেখে সামনে আসলো।
    *
    * সাদিয়া/: তুমি এখানে। কারো কিছু হয়েছে।
    *
    * আমি/: না কারো কিছু হয় নাই। কিন্তু চাচার কি হয়েছে। আপনি তাকে হাসপাতালে নিয়ে আসলেন দেখলাম।
    *
    * সাদিয়া/: আসলে সকালে একটা সেতুর কাজ উদ্বোধন করতে যেতে ছিলাম। কিন্তু রাস্তার পাশে দেখি চাচা পড়ে আছে। তাই গাড়ি থামিয়ে ওনাকে হাসপাতালে নিয়ে আসলাম। জানিনা ওনার কি হয়েছে। ডাক্তার বাহির হলে বলতে পারবো।
    *
    * আমি/: আপনি এতো দয়ালু হলেন কবে থেকে।
    *
    * সাদিয়া/: আমি জীবনে অনেক ভুল করেছি। গরীবকে মানুষ মনে করতাম না। কিন্তু তুমি আমাকে বুঝিয়ে দিয়েছো টাকা থাকলে সব কিছু হয় না। তাই এখন থেকে গরীব দুঃখীদের জন্য দেশের জন্য কিছু একটা করতে চাই।
    *
    * আমি/: হুম খুব ভালো। দোয়া করি আল্লাহ যেন আপনার আশা পূরণ করে।
    *
    * সাদিয়া/: হুম। একটা কথা বলতে পারি।
    *
    * আমি/: হুম বলুন।
    *
    * সাদিয়া/: আমাকে কি তুমি করে বলা যায় না।
    *
    * আমি/: আপনি একজন মন্ত্রী । আপনাকে যদি তুমি করে বলি , তাহলে মানুষে কি বলবে।
    *
    * সাদিয়া/: তাদের কথা বাদ দাও। প্লিজ তুমি আমাকে আপনি করে না বলে তুমি করে বলো। আপনি ডাক টা শুনতে ভালো লাগে না।
    *
    * আমি/: চেষ্টা করবো। আমি এখন আসি। আমার অফিসে যেতে হবে।
    *
    * সাদিয়া/: তুমি কি এখনো দেশের মানুষের কাছে ধরা দিবে না। সবাই তোমাকে দেখার জন্য অপেক্ষায় আছে।
    *
    * আমি): সবাই আমাকে দেখেছে। কিন্তু আমার পরিচয় জানে না। আমি আমার সব গুলো কম্পানি তে বলেছি । আমার কথা যেন বাহিরে না বলে।
    *
    * সাদিয়া/: তাহলে তুমি ধরা দিচছো না কেন।
    *
    * আমি/: আমার একটা কাজ আছে। ওইটা শেষ করে তার সবার সামনে যাবো।
    *
    * সাদিয়া/: ওহ।
    *
    * আমি/: ঠিক আছে, আমি অফিসে যাচ্ছি। এমনে অনেক দেরি হয়ে গেছে। আজকে একটা ক্লাইন্ট আসবে।
    *
    * সাদিয়া/; ওকে যাও।
    *
    * আমি আর কোনো কথা না বলে হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে এসে গাড়ি নিয়ে সোজা অফিসে চলে গেলাম।
    নিজের কেবিনে গিয়ে বসলাম। রিয়াকে ফোন দিয়ে বললাম । আমার কেবিনে আসতে। কিছুক্ষণ পর রিয়া আমার কেবিনে এসে চেয়ারে বসলো।
    *
    * আমি/: সব কিছু ঠিক করে রাখছিস।
    *
    * রিয়া/: হুম কিছু ঠিক করে রাখছি।
    *
    * আমি/: হাতে বেশি সময় নেই। আর মাএ দশ মিনিট বাকি আছে।
    *
    * রিয়া/: ঠিক আছে, তুই মিটিং রুমে আয়। আমি ভিতরে গিয়ে সব রেডি করছি।
    *
    * আমি/: ঠিক আছে যা।
    * রিয়া কেভিন থেকে বেরিয়ে চলে গেল। আমি কিছুক্ষণ পর মিটিং রুমে চলে গেলাম। সবাই আমাকে দেখে দাঁড়িয়ে গেল।
    *
    * আমি/: আপনারা সবাই বসেন।
    *
    * সবাই বসে পরলো।
    *
    " আমি/: আপনারা হয়তো জেনে গেছেন। আমি এমন ডি রাসেল সিকদার। আমার কাজের ব্যপারে হয়তো সবাই জানেন। আমার কাজ যদি খারাপ হতো । তাহলে আমি এতো ওপরে আসতে পারতাম না। ( আরো অনেক কথা বললাম)
    *
    * সবাই আমার কথা শুনে তাদের কাছে ভালো লেগেছে। তাই তারা আমার সাথে ব্যবসা করতে রাজি হয়েছে।
    মিটিং শেষ করে নিজের কেবিনে চলে আসলাম। কিছুক্ষণ পর রিয়া আসলো।
    *
    * রিয়া): তুই তো অনেক সুন্দর করে কথা বলতে পারিস। সবাইকে কি সুন্দর ভাবে বুঝিয়ে দিলি।
    *
    * আমি/: কথা যদি বুঝিয়ে বলতে না পারতাম। তাহলে এতো ওপরে কেমন করে উঠলাম।
    *
    * রিয়া আরো কিছুক্ষণ কথা বলে তার কেবিনে চলে গেল।
    *
    * কিছুক্ষণ অফিসে থেকে বাহিরে চলে আসলাম। আমি অফিসে না গেলেও কোনো সমস্যা হয় না। রিয়া সব কিছু দেখে রাখে।
    *
    * হঠাৎ চোখের সামনে একটা পার্ক পড়লো। এটা ওই পার্ক, সাদিয়া আমাকে এই পার্কে এনে প্রফোজ করেছে। আবার ব্রেকাপ করেছে। তাই গাড়ি পার্কিং করে ভিতরে গেলাম। ওমা ভিতরে গিয়ে আমি তো অবাক হয়ে গেলাম। আমরা যেখানে বসে আড্ডা দিতাম । ওই জায়গায় একটা সুন্দর বসার জায়গা বানিয়েছে।
    *
    * আমি ওখানে যাওয়ার পর দারোয়ান আমাকে আটকে দিল।
    *
    * আমি): কি ব্যপার আপনি আমাকে আটকালেন কেন।
    *
    * দারোয়ান/; এখানে মন্ত্রী ছাড়া আর কাউকে যেতে দাওয়া হয় না।
    *
    * আমি/; কেন।
    *
    * দারোয়ান/; মন্ত্রী ম্যাডাম । এটা এক মাস আগে থেকে তৈরি করেছে। আর বলেছে ওনি ছাড়া আর কাউকে যেন ভিতরে ঢুকতে না দেওয়া হয়।
    *
    * আমি/; ঠিক আছে। তাহলে আমি অন্য জায়গায় গিয়ে বসি।
    *
    * সাদিয়া/; এটা শুধু তোমার আর আমার জন্য। আর কারো জন্য নয়। ( হঠাৎ পিছন থেকে এসে)
    *
    * আমি): শুধূ আমার জন্য কেন।
    *
    * সাদিয়া/; এটা আমার আর তোমার বসার জায়গা ছিল। এখানে অন্য কাউকে বসতে দেওয়া হবে না।
    *
    * আমি/: এসবের মানে কি।
    *
    * সাদিয়া): চাচা আপনি একটু এখান থেকে যান।
    *
    * দারোয়ান/: ওকে ম্যাডাম।
    *
    * সাদিয়া/: আপনাকে বলছি না। আমার নাম ধরে ডাকতে।
    *
    * দারোয়ান/: ঠিক আছে বলবো। আমি এখন যাই সাদিয়া মামুনি।
    *
    * সাদিয়া): হুম,
    *
    * দারোয়ান চাচা চলে যাওয়ার পর সাদিয়া বললো।
    *
    * সাদিয়া/: চলো দুজনে একটু বসি।
    *
    * আমি): আমার সময় নেই । যা বলার তাড়াতাড়ি বলেন।
    *
    * সাদিয়া/ রাসেল আমাকে কি আরেক টি বার সুযোগ দেওয়া যায় না। আমি তো এখন আগের মতো নেই। তার পর কেন আমাকে মেনে নিচ্ছ না।
    *
    * আমি/: তোমার সব পরিবর্তন হলেও। একটা জিনিস পরিবর্তন হয় নাই।
    *
    * সাদিয়া/: কি সেটা । আমি তোমার কথা শুনবো বলো।
    *
    * আমি/: তোমার গায়ের পোশাক।
    *
    * সাদিয়া/: ঠিক আছে, আমি এখন থেকে শাড়ি পড়বো। তার পর ও আমাকে মেনে নাও।
    *
    * আমি/: দেখি চিন্তা করে। আমি এখন আসি , প্রায় সন্ধ্যা হয়ে গেছে।
    *
    * সাদিয়া/ আরেকটু থাকো না। তোমার সাথে কথা বলতে অনেক ভালো লাগছে। আর লাগবে না কেন। এটা তোমার আর আমার প্রিয় জায়গা।
    *
    * তার পর আরো কিছুক্ষণ কথা বলে বাসায় চলে আসলাম।
    *
    * *
    *
    *
    * চলবে ♥️♥️♥️♥️♥️♥️♥️♥️♥️♥️♥️♥️♥️♥️
    *
    *
    * ছোট হয়ে গেছে। কালকে বড় করে দেওয়ার চেষ্টা করবো। আজকে আমার হাতে অনেক কাজ। কাজের ফাঁকে ফাঁকে একটু করে লিখছি। জানিনা কেমন হলো।
    সবাই লাইক এবং কমেন্ট দিয়ে জানাবেন কেমন হলো।
    *
    *
    * ধন্যবাদ সবাইকে পাশেই থাকবেন 🧡🧡🧡🧡🧡🧡🧡🧡🧡🧡🧡🧡🧡🧡🧡🧡🧡🧡🧡🧡🧡🧡🧡
    *
    *👉ভাই আপনাদের জন্য গল্প লিখি ২ থেকে ৩ ঘন্টা সময় নষ্ট করে আর আমি গল্প লিখি কোনো লাভের জন্য না আপনাদের জন্য আর যখন আপনারা বলেন ফালতু গল্প খুব কষ্ট লাগে আর গল্প লিখতে ইচ্ছা করেনা ভাই ভালো না লাগলে ইগনোর করবেন অপমান সবাই যদি সাপোর্ট করেন আমি ভালো গল্প উপহার দেওয়ার চেষ্টা করবো👈
    (আমার কথাই কেউ কষ্ট পেলে ক্ষমা করবেন)
    ,,,,,,,,,,চট্টগ্রাম-সিলেট এর কোনো ভাই যদি থাকেন ইনবক্সে অথবা কমেন্টবক্সে নক করুন,,,,,,,,,,
    * পরবর্তি পর্বের জন্য অপেক্ষা করুন

  • Comment: 0
  • View: 632
  • Share
  • Comments

    Be the first comment
    Please Login or Sing up now to comment.

  • ©Get This Website Theme Free!

  • Just Type a Password...