ex girlfriend যখন মন্ত্রী পর্ব ২:
  • admin
  • Category: Romantic
  • 5 months ago



  • গল্প::: ex girlfriend যখন মন্ত্রী
    *
    "
    *লেখক:::: রাসেল চৌধুরী
    *
    *কালেক্টর -পিচ্চি রাজা
    * পর্ব/:::; (২) দুই
    *
    *
    * আপনারা হয়তো ভাবছেন। দেশের এতো বড় একজন ব্যক্তি হয়ে কোনো মিডিয়া আসলো না কেন। আসলে আমি আনকেল কে বলেছি কাউকে না জানাতে।
    *
    * আমি দেখতে চাই আমাদের কম্পানি গুলো কি ভাবে চালাচ্ছে। আর দেশের মানুষ কি ভাবে আছে। একারণে বলি নাই। আমাকে দেশের মানুষ এখনো দেখে নাই।
    *
    * সময় হলে সবাইকে পরিচয় দিব।
    *
    * সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখি আব্বু আমার রুমে বসে আছে। আমাকে দেখে জড়িয়ে ধরে কান্না করে দিল। আমিও কান্না করে দিলাম।
    *
    * আব্বু/: এতো বছর আমাদের ভুলে কি ভাবে থাকলি। ( কান্না করে)
    *
    * আমি/: আব্বু কান্না করো না। এখন থেকে তোমাদের সাথে থাকবো। তোমাদের ছেড়ে কোথাও যাবো না। ( চোখের পানি মুছে দিয়ে)
    *
    * আরো কিছুক্ষণ কথা বলে আব্বু চলে গেল রুম থেকে। আমি ওঠে ফ্রেশ হয়ে নাস্তা করতে নিচে গেলাম।
    *
    * আম্মু/: তা এখন কি করবি।
    *
    * আমি/: আগে তোমাদের কিছুদিন সময় দিব। তার পর অফিসে যাবো।
    *
    * আব্বু/: তাহলে তো ভালোই হবে।
    *
    * আমি/: হুম।
    *
    * নাস্তা করে বাসার বাহিরে আসলাম। গাড এসে গাড়ির দরজা খুলে দিল।
    *
    * আমি/: তোমাদের আমার সাথে যেতে হবে না। আর একটা কথা শুন আমি যে বাংলাদেশে আসছি কেউ যাতে জানতে না পারে।
    *
    * গাড একজন বললো/: ঠিক আছে স্যার , কিন্তু আপনাকে একা ছাড়া কি ঠিক হবে।
    *
    * আমি/: আমাকে নিয়ে তোমাদের কোনো চিন্তা করতে হবে না। আর তোমরা আমাকে স্যার বলে ডাকবে না।
    *
    * গাড/: তাহলে কি বলে ডাকবো।
    *
    * আমি/: আমার নাম ধরে ডাকবে। আর তুমি করে বলবে।
    *
    * গাড/: তোমার মতো মানুষ হয় না। দোয়া করি আল্লাহ যেন তোমার মতো ছেলে প্রতিটা ঘরে দেয়।
    *
    * আমি/: ওকে, তাহলে আমি এখন আসি।
    *
    * আমি আর কোনো কথা না বলে গাড়ি নিয়ে বাহিরে চলে আসলাম। হঠাৎ দেখি সাদিয়া সবার কাছে সাহায্য যাচ্ছে। আর সবাইকে বলছে তাকে যেন ভোট দিয়ে জয় যুক্ত করে। সে সবার পাশে দাঁড়াতে চায়।
    *
    * আমি মনে মনে বললাম। যে মেয়ে টাকার জন্য সব কিছু করতে পারে। সে আবার গরীব দুঃখীর পাশে দাঁড়াবে। তার বাবা গরীবের হক মেরে খেয়েছে। এখন তার মেয়ে দাঁড়িয়েছে।
    *
    * সাদিয়া আগে থেকে অনেক সুন্দর হয়ে গেছে। আর কিসব জামা কাপড় পড়ে ভোট চাইতে আসছে। তার বাবা মন্ত্রী গিরি করে যে টাকার পাহাড় বানিয়েছে। এখন সে টাকা দিয়ে মেয়েকে দাড় করিয়েছে।
    *
    * হঠাৎ একটা পিচ্চি মেয়ে গাড়ির গ্লাস টোকা দিল। আমি গ্লাস নামানোর পর মেয়েটি বলল।
    *
    * মেয়েটি/: স্যার কয়টা টাকা দেন না। আজ দুই দিন ধরে কিছু খাইনি।
    *
    * আমি/: তোমার কি কেউ নেই। তুমি ভিক্ষা করছো কেন।
    *
    * মেয়েটি/: না স্যার দুনিয়া আপন বলতে কেউ নেই। মা বাবা অনেক আগে মারা গেছে। রাস্তায় ভিক্ষা করে চলি। রাস্তায় ঘুমাই । আজ দুইদিন ধরে এক টাকাও পাইনি। স্যার দেন না কিছু টাকা।
    *
    * মেয়েটার কথা শুনে চোখ দিয়ে পানি পড়ে গেল। এতো টুকু একটা বাচ্চা মেয়েকে রেখে বাবা মা দুনিয়া ছেড়ে চলে গেল। সবই আল্লাহর হুকুম।
    *
    * আমি/: তোমাকে যদি আমার সাথে নিয়ে যাই। তুমি যাবে আমার সাথে।
    *
    * মেয়েটা/: আমাকে কোথায় নিয়ে যাবেন স্যার।
    *
    * আমি/: কেন, আমার বাসায় ।
    *
    * মেয়েটা/: তাহলে যাবো স্যার।
    *
    * আমি/: আমাকে স্যার বলবে না। আজ থেকে আমাকে ভাইয়া বলে ডাকবে ।
    *
    * মেয়েটা/: ঠিক আছে ভাইয়া।
    *
    * আমি/: ওকে, এখন গাড়িতে উঠো।
    *
    * মেয়েটা গাড়িতে উঠে বসলো।
    *
    * আমি/; তোমার নাম কি।
    *
    * মেয়েটা/: আমার নাম তিথি। রাস্তার লোকেরা বুড়ি বলে ডাকে।
    *
    * আমি/: ওকে এখন থেকে তোমাকে আমি বুড়ি বলে ডাকবো কেমন।
    *
    *তিথি/: ঠিক আছে ভাইয়া।
    *
    * তার পর তিথি কে নিয়ে একটা রেস্টুরেন্টে গেলাম। তাকে পেট ভরিয়ে খাবার খাইয়ে বাসায় নিয়ে আসলাম। কলিং বেল চাপ দেওয়ার পর আম্মু এসে দরজা খুলে দিল।
    *
    * আম্মু/: কিরে মেয়েটা কে রে।
    *
    * আমি/: আম্মু ওর বাবা মা কেউ নেই। তাই তাকে বাসায় নিয়ে আসলাম। আজ থেকে ও এ বাসায় থাকবে। তোমার কি কোনো সমস্যা হবে আম্মু।
    *
    * আম্মু/: কে বলেছে ওর কেউ নেই। আজ থেকে আমি ওর মা । আর সমস্যা হবে কেন। আর সময় কাটানোর জন্য তো আমি একটা মেয়ে পেয়েছি।
    *
    * আমি/: ঠিক আছে, তাহলে তুমি ওকে সাথে করে নিয়ে যাও। আমি রুমে গেলাম।
    *
    * বলে আমি নিজের রুমে চলে আসলাম। ফ্রেশ হয়ে খাবার খেতে চলে গেলাম। দেখি আম্মু তিথিকে নিজের হাতে খাইয়ে দিচ্ছে।
    *
    * আমি/: কি বুড়ি , বাসায় এসে আমার মাকে নিজের করে নিলে। ( একটা চেয়ার টেনে বসে)
    *
    * তিথি/: ও তোমার মা না । এখন থেকে শুধু আমার মা। ( আম্মুর কপালে চুমু দিয়ে)
    *
    * আমি/: তোকে বাসায় আনাই আমার ভুল হয়েছে।
    *
    * আম্মু/: খবরদার আমাকে কিছু বলবি না।
    *
    * আমি/: ঠিক আছে কিছু বলবো না। তাহলে এখন আমাকে কে খাইয়ে দিবে।
    *
    * তিথি): কেন, আমি তোমাকে খাইয়ে দিব ভাইয়া।
    *
    * আমি/: সত্যি বোন আমার , তুই আমাকে খাইয়ে দিবি।
    *
    * তিথি/: হুম দিব।
    *
    * তার পর তিথি আমাকে ছোট ছোট লোকমা করে খাইয়ে দিল। আমাদের ভাই বোনের ভালোবাসা দেখে আম্মুর চোখে পানি চলে এসেছে। তিথি আম্মুর চোখের পানি মুছে দিল। আল্লাহ যেন আমাদের বাসায় একটা জান্নাতের ফুল দিল।
    *
    * তো যাই হোক খাবার শেষ করে রুমে চলে আসলাম। আপনারা হয়তো ভাবছেন আমার বাবা কোথায়। আসলে বাবা আমাদের গ্ৰামের বাড়ি গেছে সকাল বেলা। দাদা দাদির কবর জিয়ারত করতে।
    *
    *
    * দেখতে দেখতে নির্বাচন শেষ হয়ে গেল। সাদিয়া এবার মন্ত্রী হয়েছে। আমি এখনো তার সামনে যাইনি। এবার শুধু দেখবো মন্ত্রী হয়ে কি করে সাদিয়া। নির্বাচনের আগে তো মানুষের দুয়ারে দুয়ারে গেছে।
    *
    * একদিন বাসায় যেতে ছিলাম। হঠাৎ সব গাড়ি আটকে দিল রাস্তায় । একজন লোককে জিগ্গেস করলাম। ভাই সব গাড়ি আটকে দিল কেন। লোকটি বলল। মন্ত্রীর গাড়ি আসবে। তাই সব রাস্তা ব্লক করে দিছে।
    *
    * পাশে তাকিয়ে দেখি একটা অ্যাম্বুলেন্স । ভিতরে দিকে তাকিয়ে দেখি অনেক ভয়াবহ অবস্থা। বেশি দেরি করলে মরে যেতে পারে। তাই আমি বসে না থেকে সামনে চলে গেলাম। যাওয়ার আগে একজনকে ফোন দিয়ে বের হয়ে আসলাম।
    *
    * আমি সব গাড়ি গুলোকে যেতে বললাম। একজন ওসি এসে আমার কলার ধরে বললো।
    *
    * ওসি/: তুই কেরে। তুই দেখিস না মন্ত্রীর গাড়ি আসছে।
    *
    * আমি/: ওনি কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে যেতে পারবে। এখানে একজন রোগী মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে। আগে তাকে যেতে দিন।
    *
    * ওসি/: মরে যাক। আর তোর কতো বড় সাহস । তুই মন্ত্রীর গাড়ি দাঁড় করিয়ে রাখবি। ( একটা থাপ্পড় দিয়ে)
    *
    * আমি/: আপনি আমাকে মারলেন। আপনারা কাজে জয়েন্ট করার সময় কি বলছিলেন। দেশের মানুষের সাথে সবসময় থাকবেন। এখন দেখি আপনারা দেশের মানুষের প্রতি কোনো মায়া দয়া নেই।
    *
    * ওসি /: তোর এতো কথা শুনার টাইম নেই। এখন মন্ত্রীর গাড়ি চলে আসবে।
    *
    * আমি/: আগে অ্যাম্বুলেন্স যাবে। তার পর মন্ত্রীর গাড়ি যাবে।
    *
    * ওসি/: তুই কেরে , আমি তোর কথা শুনবো। ( হঠাৎ ওসির ফোন বেজে উঠল)
    *
    * কথায় বুঝা যাচ্ছে কিছু একটা হয়েছে। সাথে সাথে আমার পা জড়িয়ে ধরে বলল।
    *
    * ওসি/: স্যার আমার ভুল হয়ে গেছে। প্লিজ স্যার আমার চাকরি টা নিবেন না।
    *
    * আমি/: তোদের মত জানোয়ারদের জন্য মানুষ ঠিক ভাবে চলাফেরা করতে পারে না। তুই মানুষ কে মানুষ মনে করিস না। তোর পুলিশের চাকরির যোগ্যতা নেই।
    *
    * বলে অ্যাম্বুলেন্স টাকে পাঠিয়ে দিলাম। এর ভিতরে মন্ত্রীর গাড়ি এসে দাড়িয়ে আছে। আমি অ্যাম্বুলেন্স টাকে পার করে দিয়ে নিজের গাড়ি নিয়ে চলে আসলাম।
    *
    *
    * আর ওই দিকে।
    *
    * সাদিয়া গাড়ি থেকে নেমে ওসির সামনে গিয়ে দাঁড়ালো।
    *
    * সাদিয়া/: তোর এতো বড় সাহস। তুই আমার গাড়ি দাড় করিয়ে , মানুষের গাড়ি পার করছিস। ( রেগে)
    *
    * ওসি/: ম্যাডাম আমি চার পাশে রাস্তা ব্লক করে দিছি। হঠাৎ একটা লোক এসে সব গুলো গাড়ি কে পার করে দিল।
    *
    * সাদিয়া/: সাধারণ একটা লোক এসে , এতো বড় সাহস কোথায় থেকে পায়। তুই আটকালি না।
    *
    * ওসি/: আমি তো আটকেছি। কিন্তু হঠাৎ ওপর থেকে ফোন দিয়ে বলে আমাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে।
    *
    * সাদিয়া/: কে এ লোক । যার কারণে ওপর থেকে ফোন আসলো।
    *
    * ওসি/: আমি জানি না ম্যাডাম । এখন আমি কি করে বউ বাচ্চা চালাবো।
    *
    * সাদিয়া/: সমস্যা নেই, তুই আমাদের বাসায় কাজে লেগে যাস। ( বলে গাড়িতে উঠে গেল)
    *
    * আর দিকে আমি বাসায় চলে আসলাম। রুমে শুয়ে শুয়ে মোবাইল টিপতে লাগলাম। হঠাৎ বুড়িটা এসে আমাকে জড়িয়ে ধরল।
    *
    * আমি/: কিরে বুড়ি তুই আমার রুমে কেন আসলি। ( জড়িয়ে ধরে)
    *
    * তিথি/: ভাইয়া আমার চকলেট শেষ হয়ে গেছে।
    *
    * আমি/: ওমা তাই। তুই কোনো চিন্তা করিস না। রাতের মধ্যে আমার বুড়ির চকলেট চলে আসবে।
    *
    * তিথি/: তুমি আমার লক্ষী ভাইয়া। ( কপালে চুমু দিয়ে)
    *
    * একজন গাডকে ফোন দিয়ে বলে দিলাম। এক কাটন চকলেট নিয়ে আসার জন্য।
    *
    * আপনারা হয়তো ভাবছেন। রাস্তায় আমি কাকে ফোন দিলাম। তাহলে শুনুন আমি রাস্তায় CM সাহেব কে ফোন। তিনি, আমি বাংলাদেশে আসার আগে আনকেল এর সাথে দেখা করতে যায়। তখন আনকেল আমাকে তার ছেলে পরিচয় করিয়ে দেয়। তখন CM তার পার্সোনাল নাম্বার আমাকে দিয়ে যায়।
    *
    * দেখতে দেখতে দুই মাস চলে গেল। সাদিয়া এই দুই মাসে দেশকে নিচে নামিয়ে নিয়ে এসেছে। গরীবদের হক মেরে খায়। বাহির থেকে গরীবদের জন্য কিছু আসলে সব টুকু বুঝিয়ে দেয় না। দুই ভাগের এক ভাগ দেয়। এমপিদের। এমপিরা আবার দুই ভাগ করে এক ভাগ দেয় চেয়ারম্যান কে।
    *
    * এভাবে চলতে থাকে দেশ। মনে করছি কিছুদিন রেষ্ট নিব। তা আর নেওয়া হলো না। কালকে আমার একটা কম্পানিতে লোক নিবে। আমি একজন কর্মচারী হয়ে যাবো। দেখি কিভাবে তারা আমার অফিস দেখাশোনা করে।
    *
    * সকালে ঘুম থেকে উঠে ফ্রেশ হয়ে পুরোনো একটা জামা। পড়ে নিচে আসলাম।
    *
    * আম্মু/: কিরে এটা তুই কি জামা পড়ছিস।
    *
    * আমি/: আম্মু আজকে আমার একটা কম্পানি তে লোক নিবে। তো আমি দেখবো কি ভাবে নেয়। একারনে আমি একজন কর্মচারী হয়ে যাই।
    *
    * আব্বু/: ঠিক আছে সাবধানে যাস। তো কি ভাবে যাবি।
    *
    * আমি/: আব্বু একটা রিকশা নিয়ে যাবো।
    *
    * আম্মু/: গাড়ি নিয়ে গেলে কি হয়।
    *
    * আমি/: গাড়ি নিয়ে গেলে বুঝে ফেলবে।
    *
    * আম্মু/: জানি না বাবা, তোর মাথায় কখন কি আসে।
    *
    * আমি/: তোমার জানা লাগবে না। আমি এখন আসি ।
    *
    * বলে বাসা থেকে বেরিয়ে আসলাম। গাডরা আমাকে দেখে বলে ,
    *
    * গাড/: তুমি এটা কি গায়ে দিছ।
    *
    * আমি/: এখন কথা বলার সময় নাই। কাজ শেষ করে এসে বললো।
    "আমি এক জায়গায় যাবো।
    *
    * গাড/: ঠিক আছে যাও।
    *
    * আমি বাসা থেকে বেরিয়ে কিছু দূর হেঁটে গিয়ে একটা রিকশা নিলাম। তার পর ঠিকানা বলে দিলাম। ৩০ মিনিট পর পোঁছে গেল। আমি ভাড়া দিয়ে অফিসের ভিতরে ঢুকলাম। দেখি অনেক মানুষ বসে আছে ওয়েটিং রুমে। একজন করে সবাইকে ডাকতে আছে। আমি গতকাল নাম দিয়ে গেছি। দেখি কিছু লোক বেরিয়ে যাচ্ছে আর কিছু লোক বসে আছে।
    *
    * সবার শেষে আমার ডাক পড়লো। ভিতরে অনুমতি নিয়ে ঢুকলাম। দেখি ম্যানেজার চেয়ারে বসে আছে। আমি আমার সব কাগজপত্র দিলাম। সব কিছু দেখে বলল।
    *
    * ম্যানেজার /: সব কিছু তো ঠিক আছে। কিন্তু সমস্যা একটা , তা হলো এতো বড় কম্পানিতে চাকরি করতে হলে আমাকে যে কিছু দিতে হবে।
    *
    * আমি/: স্যার আমার তো সব কিছু ঠিক আছে। তাহলে আমি টাকা দিব কেন।
    *
    * ম্যানেজার /: টাকা দিতে পারলে চাকরি হবে ।না দিতে পারলে যেতে পার। আমার হাতে সময় নেই।
    *
    * আমি): স্যার কত দিতে হবে।
    *
    * ম্যানেজার /: বেশি না ৫ লাখ দিলে হবে।
    *
    * আমি/: স্যার এভাবে কয়জনের কাজ থেকে নিয়েছেন।
    *
    * ম্যানেজার ): সবার কাজ থেকে নিয়েছি। তুইও দিলে তোর চাকরি হবে। না দিতে পারলে চলে যেতে পারো। এ কম্পানিতে যতো লোক চাকরি করে অল্প দিনে বড় লোক হয়ে যায়।
    *
    * আমি/; কেমন করে স্যার।
    *
    * ম্যানেজার/; তুই সেটা কাজ করলে বুঝতে পারবি।
    *
    * আমি/: আচ্ছা এবার বলেন আপনার চাকরি বাঁচাবে।
    *
    * ম্যানেজার /: আমার চাকরি কে বাঁচাবে মানে।
    *
    * আমি/: মানে তোর চাকরি শেষ। তোকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হলো। তার আগে মানুষের কাছ থেকে যতো টাকা নিলি সব বাহির কর।
    *
    * ম্যানেজার /:। কে তুই। আর তুই আমাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করার কে।
    *
    * আমি/:এখনো চিনতে পারোস নাই। আমি হলাম এম ডি রাসেল সিকদার। এই কম্পানির বর্তমান ওনার।
    *
    * ম্যানেজার সাথে সাথে আমার পা জড়িয়ে ধরলো। আর বলতে লাগলো।
    *
    * ম্যানেজার /: স্যার আমার ভুল হয়ে গেছে। আমি আর এরকম কাজ জীবনেও করবো না। প্লিজ আমার চাকরি টা নিবেন না।
    *
    * আমি/; তোদের মতো জানোয়ারের চাকরিতে রাখলে । কম্পানির বদনাম হবে। তুই এখনি অফিস থেকে বেরিয়ে যা।
    *
    * আর কোনো কথা না বলে ম্যানেজার বেরিয়ে গেল। তার পর আমি সবার ইন্টার ভিউ নিয়ে বাসায় চলে আসলাম। কিছু লোক টাকা দিবে বলেছে। তাদের চাকরি দি নাই। যারা টাকা দিতে পারবে না। তাদের চাকরি দিছি।
    *
    *
    *
    *-জীবন টাকে একটু সহজ করে নিন।
    -কিছু মানুষের কাছে ক্ষমা চেয়ে নিন।
    -কিছু মানুষকে ক্ষমা করে দিন।
    *ভেবেছিলাম আমি খুব একা ।
    কিন্তু,
    জীবনের প্রতিটা মুহূর্তে আল্লাহ কে পাশে পেয়েছি।
    *
    *
    *
    *চলবে ♥️♥️♥️♥️♥️♥️♥️♥️♥️♥️♥️♥️♥️
    *
    *
    *
    * কেমন হলো জানাবেন। ভুল হলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন। আমি একজন নতুন লেখক। আমি গল্প লিখি আমার মনের অনুভূতি থেকে। বাস্তবের সাথে কোন মিল নেই। সবাই লাইক এবং কমেন্ট দিয়ে পাশেই থাকবেন।
    *
    *👉চাইলে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট দিয়ে ছোট্ট একটা মেসেজ দেন আমি আপনাদের ভালো ভালো গল্প উপহার দেওয়ার চেষ্টা করবো 👈
    * ( প্লিজ কেউ নেক্সাস না লিখে মনের অনুভূতি থেকে জানাবেন কেমন হলো। )
    *
    *
    * পরবর্তি পর্বের জন্য অপেক্ষা করুন

  • Comment: 0
  • View: 636
  • Share
  • Comments

    Be the first comment
    Please Login or Sing up now to comment.

  • ©Get This Website Theme Free!

  • Just Type a Password...