ex girlfriend যখন মন্ত্রী পর্ব 1:
  • admin
  • Category: My story
  • 5 months ago



  • গল্প:: ex girlsfriend যখন মন্ত্রী
    *
    *
    *লেখক:::: রাসেল চৌধুরী
    *কালেক্টর-পিচ্চি রাজা
    *
    * পর্ব::::: (১) এক
    *



    *
    * আমি/: তোমার কি হয়েছে। তুমি আমাকে এড়িয়ে চলো কেন। ঠিক মতো কথা বলো না। আমায় দেখলে না দেখার ভান করে হাটো।
    *
    * সাদিয়া/: তোমাকে আমার ভালো লাগে না। তোমার সাথে আমার যায় না। তুমি কোথায় আর আমি কোথায়। তুমি সামান্য একজন মুদি দোকানদার ছেলে। আর আমি একজন মন্ত্রীর মেয়ে। তোমার স্ট্যাটাস দেখ আর আমার স্ট্যাটাস দেখ। তার যেয়ে বরং তুমি আমাকে ভুলে যাও। তুমি তোমার লেভেলের কাউকে জীবন সঙ্গী করে নাও।
    *
    * আমি/: তাহলে আমাকে ভালোবাসলে কেন। আমি তো তোমাকে সত্যি কারের ভালোবেসেছি।
    *
    * সাদিয়া/: তেল আর পানি যেমন এক না। তেমন তোমার সাথে আমার যায় না। হুম তখন আবেগের বশে তোমাকে ভালোবেসেছি। এখন আবেগ কেটে গেছে। এখন বর্তমানে যে ভাবে চলে মানুষ সে ভাবে চলতে হবে।
    *
    * আমি/; তোমার আর আমার ভালোবাসা আজকে দু বছরের। তুমি একদিনে সব ভুলে গেলে।
    *
    * সাদিয়া/: সময়ের পরিবর্তনে সবাই ভুলে যায়। তাই বলছি তুমি আমাকে ভুলে যাও।
    *
    * আমি/: তোমার কি একটু কষ্ট হচ্ছে না।
    *
    * সাদিয়া): এখন টাকা ছাড়া দুনিয়া অছল। আর তুমি লেখা পড়া শেষ করেছো অনেক দিন হলো। তোমার মেধা ভালো। কিন্তু তার পরও কি কোনো চাকরি হয়েছে।
    *
    * আমি); সব জায়গায় ভালো ইন্টারভিউ দিছি। কিন্তু টাকা ছাড়া চাকরি হয় না।
    *
    * সাদিয়া/; তাহলে বুঝ , আজকাল টাকা ছাড়া কোনো কিছু পাওয়া যায় না।
    *
    * আমি/: তাহলে তুমি আমাকে টাকার জন্য ছেড়ে চলে গেছো।
    *
    * সাদিয়া/: বর্তমানে চলতে হলে টাকার প্রয়োজন। আর আশা করি আমার সামনে কখনো আসবে না।
    *
    * আমি/; তুমি হয়তো খুব সহজে ভুলে গেছো। কারন তোমার ভিতরে ভালোবাসা ছিল না। আমি তোমাকে সত্যি কারের ভালোবেসেছি। আমি হয়তো ভুলতে পারবো না। তবে একটা কথা শুনে যাও। এই টাকা আর বাবার ক্ষমতার কারণে তুমি আমাকে ভুলে গেলে। একদিন সময় আসবে সেদিন তুমি আমার কাছে আসতে চাইবে ‌ । সেদিন তোমাকে আমি কখনো মেনে নিব না।
    *
    * সাদিয়া/: বানর কে যেমন জঙ্গলে মানায় । তোমাদের মতো মানুষ কে বস্তিতে বানায়। তারা কখনো সপ্ন দেখতে পারে না। আর তুমি যে কথা বলছো , এ সাদিয়া কোনো দিনও আসবে না।
    *
    * আমি/: ওকে শুধু সময়ের অপেক্ষায় থাকো।
    *
    * বলে চলে এলাম। আজকাল টাকা হলে সব কিছু হয়।
    কি না করেছি তার জন্য। তার প্রতিদান এভাবে দিল। আজকে থেকে আমিও ভুলে যাবো। গরীব হয়ে বড়লোকের মেয়েদের নিয়ে স্বপ্ন দেখা যায় না। দুবছরের ভালোবাসা যদি সে একদিনে ভুলে যেতে পারে , তাহলে আমি কেন পারবো না।
    *
    * এসব কিছু ভাবতে ভাবতে রাস্তায় দিয়ে হাঁটতে হাঁটতে বাসায় যেতে লাগলাম। হঠাৎ পিছন থেকে একটা গাড়ি এসে ধাক্কা দেয়। আমি রাস্তার পাশে একটা পিলারের সাথে বারি খাই। তার পর আর কিছুই মনে নেই।
    *
    * যখন চোখ খুলি তখন আমি নিজেকে একটা হাসপাতালে দেখতে পাই। আমার পাশে একজন বয়স্ক লোক বসে আছে। আমার চোখ খোলা দেখে আমাকে বললো।
    *
    * লোকটি/: যাক অবশেষে তোমার গেন ফিরেছে।
    *
    * আমি/: আমি এখানে কেন।
    *
    * লোকটি/: তুমি রাস্তায় দিয়ে হাঁটতে হাঁটতে মাঝখানে চলে আসো। আমার ডাইভার কন্ট্রোল করতে পারে তোমাকে ধাক্কা মারে। তুমি মাথায় আঘাত পেয়েছো। তোমার আজ এক মাস পর গেন ফিরেছে। তোমাকে বাংলাদেশের কোনো হাসপাতালে ভর্তি করায় নাই। কারন তোমার অবস্থা খারাপ ছিল। তার পর ডাক্তার বললো বাহিরে নিয়ে যেতে। তাই তোমাকে কানাডা নিয়ে আসলাম।
    *
    * আমি/: আপনি আমার জন্য এতো কিছু করলেন কেন।
    *
    * লোকটি/: আমার কোনো ছেলে মেয়ে নেই। আর তুমি জানো আমি কে ।
    *
    * আমি/: না স্যার ।
    *
    * লোকটি/: ঠিক আছে, তুমি আগে সুস্থ হয়ে নাও। তার তোমাকে সব বলবো। আগে বলো তুমি রাস্তায় দিয়ে এভাবে হেঁটে গেলে কেন।
    *
    * আমি/; আমার নাম রাসেল। পড়ালেখা শেষ করেছি কিছুদিন হয়েছে। অনেক জায়গায় ইন্টারভিউ দিছি। কিন্তু টাকা ছাড়া না কি চাকরি হবে না। কলেজে একটা মেয়ের সাথে প্রেম করতাম। দু'বছর ধরে। সে ওইদিন আমাকে ছেড়ে চলে যায় টাকার কারনে। আর মেয়েটা মন্ত্রীর মেয়ে। বাবার ছোট একটা মুদি দোকান আছে।
    তাই রাস্তায় দিয়ে এসব কিছু ভাবতে ভাবতে হাঁটতে লাগলাম। তার পর কি হলো আপনি জানেন।
    *
    * লোকটি/: আচ্ছা তুমি রেষ্ট নাও। আমি ডাক্তারের সাথে কথা বলে আসছি।
    *
    * আমি/: হুম।
    *
    * লোকটি রুম থেকে বেরিয়ে গেল। আমি শুয়ে শুয়ে ভাবতে লাগলাম। আমার বাবা মা জানি কেমন আছে। আজ একটা মাস তাদের দেখি না। এসব কিছু ভাবতে ভাবতে ঘুমিয়ে গেলাম।
    *
    * দেখতে দেখতে আমি এখন মোটামুটি সুস্থ আছি। আজকে আমাকে ওনার বাসায় নিয়ে যেতেছে। আমি এখন ওনার গাড়ীতে বসে আছি। আমি কোনো কথা বলছি না। কিছুক্ষণ পর একটা বাড়ির সামনে এসে ওনার মোবাইলে কয়টা নাম্বার টাচ করলো। সাথে সাথে গেট খুলে গেল।
    *
    * ভিতরে ঢুকে আমি তো অবাক হয়ে গেলাম। এতো সুন্দর বাড়ি । চার পাশে ফুলের বাগান। আর অনেক সিকিউরিটি দাড়িয়ে আছে। সুইমিং পুল আছে ভিতরে। চার পাশে সিসি ক্যামেরা দিয়ে ভর্তি। বাসার ভিতরে গিয়ে দরজায় একটা কাট টাচ করলো। সাথে সাথে দরজা খুলে গেল। ভিতরে ঢুকে দেখি বাহিরের থেকে ভিতরে আরো অনেক সুন্দর। আমাকে একটা রুমে নিয়ে গেল।
    *
    * লোকটি/: এটা আজ থেকে তোমার রুম। আর তুমি হয়তো ভাবছো আমি কে তাই না।
    *
    * আমি/: জি , আপনি কে ।
    *
    * লোকটি/: বাংলাদেশের রায়হান সিকদারের নাম শুনেছো ।
    *
    * আমি/: জি নাম শুনছি। কিন্তু দেখি নাই কোনো দিন। আর শুনছি ওনার দেশের বাহিরে অনেক বড় বড় ব্যাবসা আছে।
    *
    * লোকটি/: হুম ঠিকই ধরেছো। আর রায়হান সিকদার আমি ।
    *
    * আমি/: স্যার আপনি। ( অবাক হয়ে)
    *
    * রায়হান সিকদার/: প্রথম কথা হচ্ছে। তুমি আমাকে স্যার বলে নয় । আনকেল বলে ডাকবে। আচ্ছা তোমাকে একটা প্রশ্ন করি।
    *
    * আমি/: জি আনকেল বলুন।
    *
    * রায়হান সিকদার): তোমাকে যদি দেশের বড় একটা পথ দেয় । তাহলে তুমি দেশের জন্য কি করবে।
    *
    * আমি/; আনকেল গরীবরা স্বপ্ন দেখতে পারে। কিন্তু বাস্তবে দেখা ঠিক না।
    *
    * রায়হান সিকদার/: আমি তোমাকে যে প্রশ্ন করলাম । তার উত্তর দাও।
    *
    * আমি): আমি দেশকে সন্ত্রাস মুক্ত করবো। দেশের গরীব মানুষের পাশে থাড়াবো‌ । যারা টাকার জন্য চাকরি পায় না। তাদের চাকরি দিব। যারা গরীবের হক মেরে খায় তাদের কঠিন শাস্তি দিব। গরীব ছেলে মেয়ে যারা টাকা পয়সার কারনে পড়ালেখা করতে পারে না। তাদের স্কুল কলেজে ভর্তি করিয়ে দিব।
    *
    * রায়হান সিকদার/: তোমার কথা অনেক ভালো লাগলো। আমি তোমার মতো একজন চাই। তুমি পারবে দেশকে রক্ষা করতে এসব জালিম দের হাত থেকে। তুমি কোনো চিন্তা করো না। আমি তোমার পাশে সবসময় আছি।
    *
    * আমি): কিন্তু আনকেল এসব কথা আমাকে বলছেন কেন।
    *
    * রায়হান সিকদার/: সময় হলে জানতে পারবে। এখন তুমি ফ্রেশ হয়ে নাও। দুজনে মিলে খাবার খাবো। আর এই প্যাকেট টা রাখো। ( হাতে একটা বেগ দিয়ে) এটা তোমার জন্য।
    *
    * আমি/: কি আছে বেগে।
    *
    * রায়হান সিকদার/: খুলে দেখ।
    *
    * আমি বেগটা খুলে দেখি একটা আই ফোন। অনেক দামি মোবাইল ।
    *
    * আমি): এতো দামি মোবাইল আমার জন্য।
    *
    * আনকেল/; হুম তোমার জন্য। তোমার বাড়ির নাম্বার যদি মুখস্ত থাকে তাহলে ফোন দাও। আমি সিম লাগিয়ে দিছি।
    *
    * আমি/: আনকেল আপনি আমার জন্য এতো কিছু করছেন।
    *
    *আনকেল/; এটা তো কিছু না । সামনে তোমার জন্য অনেক কিছু বাকি আছে। তুমি শুধু দেখে যাও।
    *
    * বলে রুম থেকে চলে গেল। আমি দাঁড়িয়ে না থেকে আব্বুর মোবাইলে ফোন দিলাম। দুই তিন বার দেওয়ার পর ফোন ধরলো।
    *
    * আমি/: হ্যালো বাবা কেমন আছো। ( সালাম দিয়ে)
    *
    * আব্বু): কে তুমি , আমাকে বাবা বলছো কেন ‌।( নতুন নাম্বার , বিদেশি নাম্বার দেখে চিনতে পারে নাই)
    *
    * আমি/:বাবা আমি রাসেল।
    *
    * আব্বু/: কিহ রাসেল। তুই কোথায় বাবা । এতো দিন পর কোথায় থেকে ফোন দিলি।
    *
    * আমি/: বাবা তোমাকে সব বলবো। আগে বলো মা কোথায়।
    *
    * আব্বু/: তোর মা রুমে শুয়ে আছে। তোর চিন্তায় খাওয়া দাওয়া ঠিক মতো করে না।
    *
    * আমি/: বাবা তুমি মার কাছে মোবাইল দাও।
    *
    * আব্বু): তুই একটু অপেক্ষা কর আমি দিচ্ছি। ( কিছুক্ষণ পর মাকে ফোন দিল)
    *
    * আমি/: আসসালামুয়ালাইকুম মা তুমি কেমন আছো।
    *
    * আম্মু/: তোকে চাড়া ভালো থাকি কি করে বাবা। তুই কোথায় হারিয়ে গেছিস। ( কান্না করে)
    *
    * আমি/: আম্মু কান্না করো না। আমি এখন কানাডা । আর আমি ঠিক আছি। আমার জন্য চিন্তা করো না।।
    *
    * আম্মু/: তুই ওখানে কি ভাবে গেলি।
    *
    * আমি/: তাহলে শুন। ( তার পর সব খুলে বললাম)
    *
    * আম্মু/: যাক আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি। আল্লাহ যেন তোকে সবসময় ভালো রাখে।
    *
    * আমি): ঠিক আছে আম্মু এখন রাখি। তোমার শরীরের যন্ত নিও। আর ঠিক মতো খাবার খাবে। আমি ফোন দিয়ে তোমাদের খুঁজ খবর নিব।
    *
    * আম্মু/: ঠিক আছে বাবা , তুই ও ভালো থাকিস।
    *
    * ফোন কেটে দিলাম। এখন আমার থেকে অনেক ভালো লাগছে। দাঁড়িয়ে না থেকে ওয়াস রুমে ঢুকে দেখি সব কিছু দামী । ফ্রেশ হয়ে বাহিরে এসে দেখি কাজের লোক।
    *
    * কাজের লোক) স্যার আপনাকে নিচে খাবার খেতে ডাকছে।
    *
    * আমি/: স্যার না , আমার নাম ধরে ডাকলে খুশি হবো। আর আপনি আমার থেকে বয়সে বড়।
    *
    * লোকটি/: কিন্তু।( আর কথা বলতে না দিয়ে বললাম)
    *
    * আমি): কোনো কিন্তু নয়। আপনি যান , আমি আসছি।
    *
    * বলার পর ওনি চলে গেল। আমি এখন পড়ে গেলাম বিপদে । আমার তো আর জামা কাপড় নেই। বিছানায় তাকিয়ে দেখি আমার জন্য জামা কাপড় রেখে দিছে। তার পর একটা জামা আর প্যান্ট পরে নিচে চলে আসলাম। এসে দেখি আনকেল আমার জন্য অপেক্ষা করছে। আমি একটা চেয়ার টেনে বসলাম।
    *
    * আমি): আনকেল আমি এখন কি করব। (খাবার খেতে খেতে)
    *
    * আনকেল/: আগে তুমি পুরোপুরি সুস্থ হয়ে নাও। তার পর আমার ব্যাবসা দেখা শুনা করবে। আমার তো জানো কোনো ছেলে মেয়ে নেই। আমি তোমাকে নিজের ছেলে মনে করি। আমি জানি তুমি আমার কোনো ক্ষতি চাইবে না।
    *
    * আমি): আমার জন্য দোয়া করবেন। আমি যেন আপনার কথার মান রাখতে পারি।
    *
    * আনকেল/: আমার দোয়া সবসময় তোমার জন্য আছে।
    *
    * তার পর খাবার খেয়ে রুমে চলে আসলাম। কিছুক্ষণ রেস্ট নিয়ে বাসার বাহিরে আসলাম। আসার পর একটা গাড এসে বললো।
    *
    " গাড/: স্যার কোথায় যাবেন।
    *
    * আমি/: একটু বাহিরে ঘুরতে যাবো।
    *
    * গাড/: আপনার সাথে স্যারে থাকতে বলেছে। তাই আমরা আপনার সাথে যেতে চাই। আপনি গাড়িতে উঠুন। আপনাকে পুরো সিটি ঘুরিয়ে নিয়ে আসি।
    *
    * আমি/: ঠিক আছে চলো।
    *
    * আমি গাড়িতে উঠলাম। আমার পিছনে আর সামনে দুটি করে চারটি। পুরো কানাডা শহর ঘুরে দেখে বাসায় চলে আসলাম। ভিতরে ঢুকার আগে কাট টাচ করে ভিতরে ঢুকলাম। কারন খাওয়ার টাইমে আনকেল কাটটা দিছে।
    *
    * আনকেল/: কানাডা শহর কেমন দেখলে।
    *
    * আমি/: অনেক সুন্দর আনকেল। কিন্তু আমার সাথে গাডের কি প্রয়োজন।
    *
    * আনকেল/: আমার পিছনে অনেক শত্রু । তাই তোমার সেফটির জন্য গাড দিয়েছি।
    *
    * আমি/: ওহ।
    *
    * দেখতে দেখতে ৫বছর শেষ হয়ে গেল। এখন আমি আনকেল এর সাথে তার ব্যাবসা দেখি। আনকেল আমাকে অফিসে নিজের ছেলের পরিচয় দিছে। অফিসের সবাই আমাকে অনেক ভালো যানে। এখন আমাদের কম্পানি আরো বড় হয়ে গেছে।
    *
    * রাতে খাবার খেয়ে শুয়ে আছি। মা বাবার কথা মনে পড়লো। তাদের সামনাসামনি দেখতে মন চায়। এমনে মোবাইলে কথা বলে ভালো লাগে না। তাই ভাবছি কালকে দেশে যাবো। ।
    *
    * সকালে নাস্তার টেবিলে বসে আনকেল।কে বললাম।
    *
    * আমি/: আনকেল আমি দেশে যেতে চাই।
    *
    * আনকেল/: কিহ,। সত্যি বলছো।
    *
    * আমি/: জি আনকেল। মা বাবাকে দেখতে মন চায়।
    *
    * আনকেল/: তোমাকে আগে অনেক বার বলেছি। মা-বাবার সাথে দেখা করে আসতে। তুমি তো যাওনি।
    *
    * আমি/: আনকেল আমি আমার লক্ষে পোছানোর জন্য যায়নি। এখন আমার সব কিছু আছে। এখন আমি সব এমপি মন্ত্রী হাতে রাখি। আর আমি দেশে যাবো । দেশের গরীব মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য। দেশের জন্য কিছু করতে।
    *
    * আনকেল/: হুম তুমি পারবে। তুমি এখন তোমার জায়গায় মতো এসে পোঁছে গেছ। যার নাম শুনলে বড় বড় মানুষ বসা থেকে দাঁড়িয়ে যায়। রায়হান সিকদারের ছেলে রাসেল সিকদার।
    *
    * আমি/: ওকে আনকেল। আমি বিকালের ফালাইটে রওয়ানা দিতে চাই।
    *
    * আনকেল/: ঠিক আছে। আর বাংলাদেশে আমার যে কোম্পানি আছে। ওগুলো সব তোমার নামে করে দিছি। বাংলাদেশে আমার যা কিছু আছে। একজন মন্ত্রীর তা নেই। আজ থেকে সব কিছু তোমার। তুমি এবার নিজের মতো চালাবে।
    *
    * আমি): ঠিক আছে আনকেল আমি এখন একটু সপিং মলে যাবো। বাবা মার জন্য কিছু কেনাকাটা করার জন্য।
    *
    * আনকেল): ঠিক আছে যাও।
    *
    * তার পর নিজের গাড়ি নিয়ে সপিং মলে চলে আসলাম। আমি এখন গাড়ি চালাতে পারি। আর আমার সাথে দুই গাড এসেছে। মার্কেট করে বাসায় চলে আসলাম।
    *
    *
    * দেখতে দেখতে বিকাল হয়ে গেল। সব কিছু গুছিয়ে রওয়ানা দিলাম এয়ারফোট এর উদ্দেশ্য। ৩০ মিনিট পর এয়ার ফোটে চলে আসলাম। তার পর ভিতরে ঢুকে গেলাম। আমার সাথে দুইটা গাড আসলো। আমাদের নিজস্ব বিমানে উঠে গেলাম। সন্ধ্যায় ৬ টায় বিমান আকাশে উড়াল দিল।
    *
    * বিমান বাংলাদেশে রাত ১২ টায় লেন্ড করলো। বিমান থেকে নেমে দেখি ১৫/২০ গাড়ি দাঁড়িয়ে আছে। আমার সাথে দুইটা গাড সহ নামলো। তার পর একটা গাড দরজা খুলে দিল। আমি ভিতরে গিয়ে বসলাম।
    *
    *
    * আজ ৫ বছর পর নিজের দেশে আসলাম। অনেক পাল্টে গেছে সবকিছু। মা বাবা জানে না আমি যে দেশে আসছি। তাদের সারপ্রাইজ দিবো বলে বলি নাই।
    *
    * হঠাৎ রাস্তার পাশে একটা ছবির দিকে চোখ পড়তেই অবাক হয়ে গেলাম। হুম ঠিকই ধরেছেন এটা আর কারো ছবি না। সাদিয়ার । এবার সে মন্ত্রী নির্বাচন করবে। ৫ বছর আগের চেনা মুখ আবার দেখতে পেলাম। এই ৫ বছরে আমি ভুলেই গেছি সাদিয়ার কথা।
    *
    *
    * মা বাবা এখন আমার নতুন ফ্লাটে থাকে। এক ঘন্টা পরে বাসায় পৌছে গেলাম। আমি ভিতরে গিয়ে কলিং বেল চাপ দিলাম। বুয়া এসে দরজা খুলে দিল। রাত প্রায় এক টা বেজে গেছে। আমি ভিতরে ঢুকে আব্বু আম্মুর রুমে টোকা দিলাম। আম্মু ঘুম ঘুম চোখে দরজা খুলে দিল। আমাকে দেখে জড়িয়ে ধরে কান্না করে দিল। ( কারন মা আমাকে ভিডিও কলে দেখেছে। একারনে চিনতে কষ্ট হয় নাই)
    *আমি/; আম্মু কান্না করো না।
    *
    * আম্মু/: তুই কেমন আছিস। আর আমাদের বললি না কেন তুই দেশে আসবি।
    *
    * আমি/: তোমাদের সারপ্রাইজ দিবো বলে বলি নাই।
    *
    * আম্মু/: এতো বছর পরে এসে এভাবে সারপ্রাইজ দিবি।
    *
    * আমি/: আগে বলো আব্বু কোথায়।
    *
    * আম্মু/; তোর আব্বু শুয়ে আছে।
    *
    * আমি/: ঠিক আছে। আব্বুর সাথে সকালে দেখা করবো।
    *
    * আম্মু/; তুই ফ্রেশ হয়ে আয় , তোকে খাবার দিচ্ছি।
    *
    * আমি/: ঠিক আছে আম্মু।
    *
    * বলে একটা রুমে চলে আসলাম। রুমে এসে ফ্রেশ হয়ে খাবার খেতে গেলাম। দেখি আম্মু খাবার নিয়ে বসে আছে।
    *
    * আম্মু/; তুই বস আমি নিজের হাতে তোকে খাইয়ে দিব।
    *
    * আমি/: ঠিক আছে দাও।
    *
    * আম্মু আমাকে নিজের হাতে খাইয়ে দিতে লাগল।। দেখি আম্মুর চোখে পানি।
    *
    * আমি/: আম্মু তুমি কান্না করছো কেন।+চোখের পানি মুছে দিয়ে)
    *
    *আম্মু/: হঠাৎ চোখে পানি চলে আসলো।
    *
    * আমি/: আম্মু আর কান্না করো না। এখন থেকে তোমাদের ছেড়ে কোথাও যাবো না।
    *
    * আম্মু আমাকে খাইয়ে দাওয়ার পর আমি রুমে চলে আসলাম। কিছুক্ষণ মোবাইল টিপে ঘুমিয়ে পড়লাম।
    *
    *
    *
    *
    * চলবে ♥️♥️♥️♥️♥️♥️♥️♥️♥️♥️♥️♥️♥️♥️♥️♥️♥️♥️♥️♥️♥️♥️♥️♥️♥️♥️♥️♥️♥️♥️♥️♥️
    *
    *
    *
    * ( মূল কাহিনী কালকে থেকে আসবে)
    *
    *
    * প্রথম পর্ব তেমন ভালো হয় নাই। তার পর ও বলবেন কেমন হলো। ভুল হলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন। আমি একজন নতুন লেখক। আমি গল্প লিখি আমার মনের অনুভূতি থেকে। বাস্তবের সাথে কোনো মিল নেই। সবাই লাইক এবং কমেন্ট দিয়ে পাশে থাকবেন।
    *
    *
    * পাশে থাকেন । আশা করি ভালো লাগবে।
    👉ভালো লাগলে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট দিয়ে ছোট্ট একটা মেসেজ দেন 👈
    *

  • Comment: 0
  • View: 631
  • Share
  • Comments

    Be the first comment
    Please Login or Sing up now to comment.

  • ©Get This Website Theme Free!

  • Just Type a Password...